এআই এর আদি থেকে অসীমে

আজ আমাদের প্রতিটা কাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়েছে এআই। সোশ্যাল মিডিয়াতে কোনো ভিডিও দেখে দুম করে আর বলে দেয়ার জো থাকছে না ভিডিওটা সত্যি নাকি এআই। তবে কি আমরা মানব ইতিহাসের নতুন আরেকটি যুগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি? যে যুগের শুরু ইতোমধ্যে হয়ে গেছে এআই এর মাধ্যমে? এই নতুন যুগের ভবিষ্যৎ কি? এআই কি মানব সভ্যতাকে কতদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে? নাকি ডেকে আনবে মানব সভ্যতার সমাপ্তি?

আদিম যুগ থেকে বর্তমান

প্রতিটি বড় কোনো আবিষ্কার বা জীবনের পরিবর্তনে পালটে যায় একটি যুগ। বারবার পৃথিবীকে সাক্ষী রেখে এক একটা আবিষ্কারে পাল্টেছে পুরো বিশ্বের রীতিনীতি। সেই প্রাচীনকালে আগুন জ্বালিয়ে মানুষ প্রথম সভ্যতার আলো জ্বালিয়েছিল প্রায় ১০- ১৫ লক্ষ বছর আগে। আগুন জ্বালাতে পারার ক্ষমতা বদলে দিল মানুষের জীবন। এরপর ছোট ছোট বহু বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে আদিম শিকারী মানুষ শিখল বন্য জীব জন্তুকে পোষা প্রাণী বানানোর টনিক। প্রায় ৫০,০০০ বছর লেগে গেল যখন চিন্তার বিপ্লব থেকে মানুষ পা রাখল কৃষি বিপ্লবের যুগে। প্রায় ১০-১২ হাজার বছর আগে হওয়া কৃষি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে মানুষ প্রথম নিজের খাবার নিজে উৎপাদন করা শিখল৷

কৃষিকাজের জন্য ব্যবহার করা হত পাথরের সরঞ্জাম। মানে হাতে দিয়েই সারতে হত সব কষ্টের কাজ। কিন্তু মানুষ বলে কথা। জীবনকে সহজ করতে ঝুকল নতুন পদ্ধতি আবিষ্কারের দিকে। শুরু হল নতুন যুগের। ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভুলোশন। অর্থাৎ শিল্প বিপ্লব।

এই শিল্প বিল্পবের যুগ এতো ব্যাপক যে এটিকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন এবং ইউরোপ মহাদেশে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে কৃষি বিপ্লবের পর শুরু হয় প্রথম শিল্প বিপ্লব।১৭৬০ সালে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে মানুষ সাক্ষী হয় নতুন এক পৃথিবীর। মূলত ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন তৈরির মাধ্যমে এই নতুন যুগের ব্যাপক প্রসার হয় সারা বিশ্বে।

দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবকে মূলত বলা হয় প্রযুক্তিগত বিপ্লব। সময়টা ছিল ১৮৭১ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে। এই বিপ্লবের মূলে ছিল রেলপথ এবং টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্কের ব্যাপক বিস্তার। এই রেলপথ এবং টেলিগ্রাফ নেটওয়ার্ক বিশ্বের বাণিজ্য আর মানুষের যোগাযোগকে নিয়ে গিয়েছিল অন্য উচ্চতায়। ঠিক সে সময় আবিষ্কার হয় যুগটির সবচেয়ে অনন্য আবিষ্কার বিদ্যুৎ।

২০ শতাব্দীর দিকে, পৃথিবী দেখল দুটি বিশ্বযুদ্ধ। যুদ্ধের ফলে শিল্পায়নে কিছুটা ভাটা পড়লেও যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুকে টেক্কা দিতে এমন কিছু প্রযুক্তি আসল যা ইতিহাসের পাতায় যোগ করল আরেকটি যুগের। এটিকে তৃতীয় শিল্প বিপ্লব কিংবা ডিজিটাল বিপ্লব বলা হয়ে থাকে। এই শিল্প বিপ্লবের এক দশক পরেই Z1 Computer আবিষ্কৃত হয়। দেশ-বিদেশের নানা কারখানা গুলোতে মানব শক্তির জায়গা দখল করতে শুরু করে যন্ত্রপাতি ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত সরঞ্জাম।

সবশেষে যে সময়ের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি তা হল চতুর্থ শিল্প বিপ্লব। । রোবোটিক্স, ন্যানো টেকনোলজি, ডিসেন্ট্রালাজড কনসেনসাস, পঞ্চম প্রজন্মের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, বায়োটেকনোলজি, ইন্টারনেট, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের পরে এ যুগের সবচেয়ে চমক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence. বাচ্চা থেকে বুড়ো সবার জীবন পালটে দিল যে প্রযুক্তি তার থেকে নতুন একটা যুগ শুরু হওয়াটা ছিল অবশ্যম্ভাবী।

এ আই এর শুরু

১৯৫০ সালে সর্বপ্রথম আলান টুরিং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারণা উত্থাপন করেন তার পেপার কম্পিউটিং মেশিনারি অ্যান্ড ইন্টালিজেন্স পাব্লিশের মাধ্যমে। তিনিই প্রথম প্রশ্ন ওঠান মেশিন কি মানুষের মত বুদ্ধিমান ব্যবহার করতে পারবে? উন্মোচন করেন এ আইয়ের এক নতুন অধ্যায়ের। সেই থেকে আজ পর্যন্ত এ আই আগিয়েছে অনেক পথ। এআই এর ধাপে ধাপে উন্নতির সাথে প্রস্তুতি চলছে নতুন এক যুগের প্রবেশ করার। যার নাম পঞ্চম শিল্প বিপ্লব বা ইন্ডাস্ট্রি ৫.০। ধারণা করা হয় আমরা বর্তমানে দুটো যুগের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি৷ যে সময়টাতে মানুষ এক যুগ থেকে পা রাখছে ভিন্ন যুগে। এআই বর্তমানে শুধু মানুষের নির্দেশে কাজ করছে। এর নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা নেই। ইন্ডাস্ট্রি ৫.০ এর শুরুতেই হয়ত আমরা দেখতে পাব এআই এর নতুন সংস্করণ এজিআইকে। এর প্রস্তুতি কিন্তু ইতোমধ্যে চলছে। অপেক্ষা শুধু সময়ের। যখন আমরা দেখব বুদ্ধিমান এআইকে মানুষের পাশাপাশি মানুষের কাজ গুলোই আরও সুনিপুণভাবে করতে।

স্যাম অল্টম্যানের মতে এআই কেবল এখন শিশু। যত বয়স হবে তত বেশি ক্ষিপ্র হয়ে উঠবে এআই। মানুষ ইতোমধ্যে এআইয়ের ধাপগুলির লম্বা সময়ের প্রেডিকশন করেও ফেলেছে। এ আই এর পরেই যে এ জি আই আসবে সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই৷ খুব সম্ভবত এর পরের ধাপে আমরা দেখতে পাব আর্টিফিশিয়াল সুপার ইন্টেলিজেন্স বা ASI কে। যা ১০০ জন মানুষের কাজ একাই করে ফেলতে পারবে। ন্যানোসেকেন্ডে সলভ করে ফেলতে পারবে ক্যান্সারের মত মরণঘাতী রোগের সমাধান কিংবা অমিমাংসিত কোনো বৈজ্ঞানিক ইক্যুয়েশনের। অর্থাৎ সবদিকে ছাড়িয়ে যাবে মানুষকে। এরপরের ধাপগুলো হল ট্রান্সেন্ডেড এআই, কসমিক এ আই আর গড লাইক এ আই৷ যে ধাপ গুলোতে এআই তার এক্সপেরিয়েন্স থেকে নিজের মধ্যে আনবে মানুষের মত অনুভূতি, কৌতুহল। সবচেয়ে ভয়ংকর অংশ হল নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারবে।

বর্তমানে এআই

বর্তমানে হেলথকেয়ার থেকে শুরু করে ট্রান্সপোর্ট, এডুকেশন থেকে শুরু করে এন্টারটেইনমেন্ট এর ক্ষেত্রে AI এর ব্যবহার ব্যাপক। 2023 IBM সার্ভে অনুসারে, 42% এন্টারপ্রাইজ-স্কেল বিজনেস তাদের অপারেশন্সে AI ইন্ট্রিগ্রেট করেছে এবং 40% তাদের অর্গানাইজেশনের জন্য AI কনসিডার করছে৷ আবার, 38% অর্গানাইজেশন তাদের ওয়ার্কফ্লো-তে জেনারেটিভ AI এপ্লাই 42% করার বিষয়টি কনসিডার করছে। ২০২২ সালে AI এর মার্কেট সাইজ যেখানে ৩৮৭ বিলিয়ন ডলার ছিল ২০২৯ সালে সেটি ১৩৯৪ বিলিয়ন ডলার ছড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যখন চারদিকে এআইয়ের জয় জয়কার তখন এর বিপরীতেই লুকিয়ে আছে এআইএর তেতো সত্য।

ধরুন আপনি চাচ্ছেন একটা কৃত্রিম ছবি বানাতে। এ আই প্রম্পটে শুধু ছবিটার বর্ণনা দিবেন। ব্যাস! চলে আসবে আপনার কাংখিত ছবি। এ আই এর এই স্কিল এখন সবার জানা। ক্রিয়েটিভ ছবি থেকে শুরু করে ভিডিও, পোস্টার এমনকি ভয়েসও দিতে পারে এ আই। যদিও একদম পারফেক্ট হয় বলব না। তবুও আগের মত ব্যাসিক কাজের জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার এর প্রয়োজন এখন আর পরে না। কিছু এপ আর ওয়েবসাইটের এ আই টুল দিয়ে নিজেই লোগো, পোস্টার, ব্যানার বানিয়ে ফেলা যায়।

শুধু গ্রাফিক্স ডিজাইনই নয়, ভয়েস ওভার আর রাইটারের ক্রিয়েটিভ মার্কেটেরও অনেকটুক জায়গা দখল করে ফেলেছে এ আই। তা প্রোগ্রামিং আর বাদ যাবে কেন? টুকটাক ব্যাসিক প্রোগ্রামিংও করতে পারে এ আই। কোনো রোগে কাতরাচ্ছেন? প্রাথমিক পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করবে পাড়ার নতুন ডাক্তার এ আই সাহেব। আর ছোট খাটো চাকরিগুলো তো খেয়ে নিচ্ছেই এ আই। ক্যাশিয়ার, প্রশাসনিক সহকারী, টিকেট ক্লার্ক, কেরানী চাকরি গুলো এখন এ আই এর দখলে প্রায়৷ ইকোনমিক ওয়ার্ল্ড ফোরাম( ডাব্লিউ এফ) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে ৯২ মিলিয়ন চাকরি হারানোর সম্ভাবনা আছে৷ তবে এ আই এর ফলে বাড়বে নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও। ১৭০ মিলিয়ন নতুন চাকরি তৈরি হবে। অর্থাৎ ৭৮ মিলিয়ন চাকরি বাড়বে।

যেসব চাকুরি বেঁচে যাবে এ আই এর কবল থেকে

তাহলে বোঝেন আর কোনো জায়গায় নাক গলাতে বাকি রাখে নি এ আই৷ তবে কি ভবিষ্যতে সব সেক্টর দখল করে ফেলবে এ আই? মানুষ কি তবে বেকার হয়ে যাবে? তার আগে একটু চিন্তা করে বলুন তো আপনি কি কখনো মারাত্মক অসুস্থ হলে মানুষ ডাক্তারকে দেখাবেন নাকি রোবোট ডাক্তার? কি ভাবছেন? রোবোট ডাক্তারের উপর ভরসা করা যাচ্ছে না তাই না? কোনো ভাইরাসকে ইলিমিনেট করতে গিয়ে আবার না আপনাকেই ইলিমিনেট করে দেয়। তা হতেও পারে কিন্তু। মানুষের মত বুদ্ধিমত্তা হলেও এ আই বলুন কিংবা এজি আই, মানুষ কখনোই চিকিৎসার জন্য পুরোপুরি যন্ত্রের উপর নির্ভর করবে না৷ কারণ আপনি তার কাছেই ট্রিটমেন্ট নিতে চাইবেন যাকে আপনি ভরসা করতে পারেন৷ একজন মানুষ অন্য মানুষকেই কেবল ভরসা করতে পারে, রোবটকে নয়। তাই ডাক্তার, নার্সের চাকুরি আপতত বেচে যাচ্ছে এ আই এর থাবা থেকে।

ইমোশনাল ইন্টালিজেন্স বা সোশ্যাল ইন্টালিজেন্স নির্ভর চাকরিগুলো এ আই দখল করতে পারবে না। যতই বুদ্ধিমান হোক না কেন যন্ত্রের মধ্যে নেই মানুষের মত অনুভূতি। এই অনুভূতিই একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের মনের যোগাযোগ তৈরি করে। যেমন শিক্ষক শুধুমাত্র স্টুডেন্টদের পড়ায় না। তাদের সাথে মানসিক যোগাযোগ তৈরি করে, তাদের আচার আচরণ, চলার পথ সঠিক করার শিক্ষা দেয়। বা ডিপ্রেসড কোনো মানুষ যখন থেরাপিস্টের কাছে যায় তখন থেরাপিস্ট মানবিক আচরণের মাধ্যমে রোগীর মনের পরিবর্তন ঘটাতে চেষ্টা করে। যন্ত্রের কাছে যা আশা করা বোকামি।

ট্রাস্ট ইস্যু আছে এমন কোনো কাজেই কিন্তু এ আই থেকে মানুষের প্রয়োজন বেশি৷ সম্প্রতি টেসলা এমন গাড়ি নির্মাণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যা চলবে ড্রাইভার ছাড়াই। হয়তো এটা চলে আসবে ২০২৬ সালের মধ্যেই। এই গাড়ির এক টেস্ট ড্রাইভিং এ দেখা গেল গাড়িটি পথচারীকে বাচাতে গিয়ে পাশের গাড়ির সাথে একসিডেন্ট করে ফেলেছে। এআই আরও উন্নত হলেও ড্রাইভিং এর মত জটিল অবস্থায় মানুষের মত চিন্তা করা এ আই এর জন্য সহজে সম্ভব হবে না। বাংলাদেশের রাস্তা হলে তো আর কথাই নেই৷ যেখানে সাই করে রাস্তার রং সাইডে অহরহ গাড়ি বা রিকশা ঢুকে পড়ে৷ বা মানুষ গাড়ির ফাঁক ফোকর দিয়ে দৌড়ে পার হয়। এত্ত নিয়ম শৃঙ্খলা বিহীন অদ্ভুত অবস্থায় এআই এর মত বুদ্ধিমান যন্ত্রও অসহায়। তাই গাড়ির ড্রাইভার বলুন বা প্লেনের পাইলট মানুষকে এক্ষেত্রে রিপ্লেস করা সহজ হবে না মোটেও।

সবচেয়ে বেশি বাড়বে মেশিন লার্নিং ইঞ্জিনিয়ার, ডেটা সাইন্টিস্ট, এ আই রিসার্চ সাইন্টিস্টের সংখ্যা। কারণ যতই বুদ্ধিমান হোক না কেন এ আই নিয়ন্ত্রণে, উন্নতিতে ও ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন তো মানুষকেই!

তবে ১৮ শতকের দিকে তাকালে এক বিখ্যাত বিদ্রোহের ছবি ভেসে ওঠে। যার নাম ছিল লাডাইটস বিদ্রোহ৷ লাডাইটস শব্দটা যদি আপনারা ডিকশনারীতে খোজেন তাহলে এর অর্থ দাড়ায় যে মানুষটি নতুন কর্ম প্রযুক্তির বিরোধীতা করে। প্রথম শিল্প বিপ্লবের শুরুতে যখন সব হাতের কাজ মেশিনে করা শুরু হল তখনই বাধল গন্ডগোল৷ কাপড় তৈরির দক্ষ কারিগরদের বেকার করে দিয়ে তাদের কাজ বাগিয়ে নিতে শুরু করেছিল মেশিন। প্রতিবাদে কারখানার মেশিন ভাঙ্গচুর করা হল অনেক। লাভ হল না। নিজের নিয়মে সামনে বাড়ল যুগ। কারিগরেরা পড়ে ছিল তলানিতেই।

এভাবে প্রতিটা নতুন যুগের শুরুতেই কিছু মানুষ তাদের জায়গা হারিয়েছে। কিন্তু আবার নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে ঠিকই মানিয়ে নিয়েছিল যুগের সাথে। বর্তমানের লাডাইটসদের নিয়মে এআইকে থামানো অসম্ভব৷ ব্যাপারটা এখন নিউক্লিয়ার চেইন রিএকশনের মত হয়ে গেছে৷ বেড়েই যাবে দিনকে দিন। তাই প্রস্তুত করতে হবে নিজেদের। এ আই এর সাথে মানিয়ে নিয়ে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে হবে। নাইলে এ প্রতিযোগিতায় এলিমিনেট হওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার। যে এ আইয়ের কাজে দক্ষ হবে টিকবে সেই।

প্রতিযোগিতার বাজারে যেখানে একজন প্রতিযোগী আরেকজন প্রতিযোগীকে পুরো কম্পিটিশন থেকেই বের করে দিতে চায় সেখানে মানুষ নিজে সেধে বানাচ্ছে নিজের প্রতিযোগি। আরও অনেক বছর পর সেটা হয়ত সাধারণ কম্পিটেটর থেকে আরও বড় মাথা ব্যাথার কারণও হতে পারে। তবে ওত দূরে না তাকিয়ে প্রাথমিক অবস্থায় এআইয়ের তান্ডব থেকে বাচতে হলে জানতে হবে এআইকেই। হাতে সময় কিন্তু খুব কম। Now or never.

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top